একই ফ্রেমে দুই শত্রু | A walk in the world

একই ফ্রেমে দুই শত্রু

What is your dream destination?

একই ফ্রেমে দুই শত্রু

citas online cuenca মিশরের পুরাণ অনুযায়ী, সেব (Geb) ছিল পৃথিবীর দেবতা আর আকাশের দেবী ছিল নাট (Nut)। তাদের ঘরে জন্ম নেয়, ওসিরিস (Osiris), সেথ (Set), নেফথিস (Nephthys), আইসিস (Isis) আর হ্যারোএরিস (Haroeris) ।

source site সেথ আর ওসিরিস ছিল ছেলে আর নেফথিস ও আইসিস ছিল মেয়ে। এই চার ভাইবোনের ভেতর সেথ বিয়ে করে নেফসিসকে আর ওসিরিস বিয়ে করে আইসিস কে।

go ওসিরিস ছিল খুব ভালো। ওসিরিসের শাসনকালে পৃথিবীতে ছিল সুখ আর শান্তি।

follow link কিন্তু এই শান্তিতে বাঁধ সাধল তার ভাই, সেথ। সে ছিল অরাজকতা এবং নৃশংসতার দেবতা।

solteros judios mexico ক্ষমতার লোভে সেথ তার ভাই ওসিরিসকে হত্যা করল। হত্যা করেই সেথের কুকর্ম শেষ হয়ে যায়নি, বরং সে ওসিরিসের শরীরকে ক্ষত বিক্ষত করে শরীরের বিভিন্ন অংশ আলাদা করে বিভিন্ন জায়গায় ফেলে দেয়।

http://irvat.org/index.php?option=com_content ওসিরিসের স্ত্রী আইসিস শোকে কাতর হয়ে পড়ে, তাকে সান্ত্বনা দেওয়ার ভাষা কারো থাকে না। তখন তার একটাই চাওয়া, ওসিরিসের শরীরের অংশগুলো খুঁজে বের করতে হবে, জোড়া লাগাতে হবে আবার।

http://calonline.com/?q=viagra-samples-for-physicians দুঃখ বুকে চেপে, সে ওসিরিসের শরীরের বিভিন্ন অংশ খুঁজতে থাকে। মজার ব্যাপার হল, তাকে সাহায্য করে তার বোন নেফথিস, যার স্বামীই ওসিরিসকে হত্যা করেছে। দিন-রাত খোঁজাখুঁজি করে শেষ পর্যন্ত তারা ওসিরিসের দেহের সব অংশ খুঁজে পায়, এরপর ওসিরিসের বিচ্ছিন্ন শরীরকে জোড়া লাগায়।

http://www.selectservices.co.uk/?propeler=operazioni-binarie-demo&51d=63 আইসিস কিন্তু অনেক রকমের জাদু জানতেন। কিন্তু মৃত মানুষকে জীবিত করার ক্ষমতা তার ছিল না। এই ক্ষমতা ছিল শুধুমাত্র সূর্যের দেবতা রা এর। আইসিস রাকে বিভ্রান্ত করে কিছু সময়ের জন্য ওসিরিসকে জীবিত করতে সক্ষম হয় – সেইটুকু সময়ই আইসিসের জন্য যথেষ্ট ছিল।

source আইসিস আর ওসিরিসের ঘরে জন্ম নেয় হোরাস – আকাশ, যুদ্ধ আর শিকারের দেবতা।

binäre optionen handelssignale 2016 হোরাসকে দেখলেই তো তার চাচা সেথ তাকে মেরে ফেলবে, তাই, আইসিস, হোরাসকে প্যাপিরাস পাতার ভেতর লুকিয়ে রাখে।

go site আস্তে আস্তে হোরাস বড় হয়, শক্তিশালীও হয়।

source site এরপর সে তার বাবার সাম্রাজ্য দাবি করে। শুরু হয় হোরাস আর সেথের ভেতর যুদ্ধ।

সে যুদ্ধের মীমাংসা সহজে হওয়ার নয়। একদিন সেথ সুযোগ পেয়ে হোরাসকে ধর্ষণের চেষ্টা করে। হোরাস ছিল অনেক বুদ্ধিমান। সে, সেই ঘটনার সময় সেথকে কিছুই বুঝতে দেয়নি, সে, সেথের বীর্য নিয়ে নদীতে ফেলে দেয়, সেথকে জানতে না দিয়ে। তারপর নিজের বীর্য নিয়ে মিশিয়ে দেয় লেটুস পাতায়। লেটুস পাতা ছিল, সেথের খুব প্রিয় খাবার। এই ঘটনা ঘটার পর, সেথ তৃপ্তির ঢেকুর তুলে সেই লেটুস পাতা খেয়ে ফেলে।

এরপর তারা দুজনেই ঈশ্বরের কাছে যেয়ে মিশরের শাসনকর্তা হিসেবে নিজেদেরকে  দাবি করে। সেথ বলে যে সে হোরাসকে ভোগ করেছে, তার পুরুষত্ব দেখিয়েছে, তাই সেই শ্রেষ্ঠ আর মিশর শাসনের দাবিদার।

ঈশ্বর সেই সময় সেথের বীর্যকে তলব করে। সেথের বীর্যর উত্তর ভেসে আসে নদী থেকে, সেথের দাবি মিথ্যাতে পরিণত হয়। এরপর হোরাস সামনে এগিয়ে আসে একই দাবি নিয়ে। ঈশ্বর এবার হোরাসের বীর্যকে তলব করে। এর উত্তর ভেসে আসে সেথের ভেতর থেকে। ফলে হোরাসের দাবি সত্য প্রমাণিত হয়।

এর পর আরও কিছু ঘটনার মধ্য দিয়ে হোরাসকেই ঈশ্বর মিশরের সিংহাসন তুলে দেন।

এই ছবির বামদিকে ঈগলের মত যে দেখতে সে হল হোরাস আর ডান দিকে শেয়ালের মত দেখতে, জিরাফের মত শিংওলাই সেথ। আর মাঝখানে আছে ফারাও রামসেস ৩।  ধারনা করা হয়, এই ছবিতে রামসেস ৩ এর রাজ্যাভিষেকের সময় আশীর্বাদ করছে হোরাস আর সেথ।

ছবিটি মিশর জাদুঘর থেকে ২০১৬ তে তোলা।

একটা কথা না বললেই নয়, এটি একটি পৌরাণিক কাহিনী, এই কাহিনীর কোনও ঐতিহাসিক সত্যতা না খুঁজে, একে নিছক কাহিনী হিসেবে নিলেই ভাল হয়।

 

Fuad Omar

Fuad Omar

1 Comment

  • Shaer Ahmed

    ahahaha, that story cracked me up!

    nice writing though 🙂 hope this will become a series?

    March 10, 2017 at 4:21 pm
LEAVE A COMMENT