কলম্বো থেকে এল্লা | A walk in the world

কলম্বো থেকে এল্লা

What is your dream destination?

কলম্বো থেকে এল্লা

site rencontre guingamp সাধারণত সারা বছর অফিস থেকে কোনও ছুটি নেওয়া হয়না – শীত, গ্রীষ্ম, বর্ষা – শুধু কাজ করে যাওয়া। এটা অবশ্য আমি উপভোগই করি। বছর শেষে ভাবলাম যে একটা দুই সপ্তাহের ছুটি নিব। চোখটাও খুব সমস্যা করছিল – ডি-জেনারেশন শুরু হয়ে গিয়েছে। তাই ভাবলাম ঘুরতে যাওয়ার সময় চোখটাও দেখিয়ে আসি, চেন্নাইতে নাকি খুব ভাল চোখের হাসপাতাল আছে। ম্যাপ নিয়ে বসলাম যে চেন্নাই থেকে চোখ দেখিয়ে আর কোথায় যাওয়া যায়। তাজমহল দেখার শখ আমার অনেকদিন ধরেই। ভাবছিলাম যে চেন্নাই থেকে সরাসরি দিল্লীতে চলে যাব নাকি – সেখান থেকে – কাশ্মীর। এদিকে আবার অনেকদিন ধরেই ভুটান যেতে ইচ্ছে করে, কিন্তু ওদের ঢাকা থেকে ফ্লাইটের সময়টা এমন বিশ্রী যে আমার শনি-রবি  উইকেন্ডের সাথে মেলে না।

5th graders dating yahoo যাইহোক, অফিস থেকে বাসাতে এসে প্রায় প্রতিদিনই গুগল ম্যাপ খুলে বসে থাকতাম – চেন্নাইতে যাত্রা শুরু করে, আশেপাশে কোথায় একটু ঢুঁ মারা যায় সহজে এটা খুঁজে বের করার অভিপ্রায়ে। ম্যাপে খুব সহজেই মনে মনে এক দেশ থেকে আরেক দেশে চলে যাওয়া শুরু করলাম এক সময়ে – বাস্তবে যেতে না পারলেও, কল্পনা কিন্তু থেমে থাকল না। এরকম করতে করতে একদিন চোখ আটকে গেলো – শ্রীলঙ্কাতে। সে চোখ আর কিছুতেই সরে না। কেমন একলা একটা দেশ, চোখের পানির মত ভেসে আছে পৃথিবীর বুকে। তখনি মনে হল, ওখানে একটু পা ফেলতেই হবে। যাইহোক, শেষ পর্যন্ত এমন পরিকল্পনা করে ফেললাম যে, কোনও শখই আর অপূর্ণ থাকলো না। শ্রীলঙ্কা থেকে মালদ্বীপ, আর দিল্লী-আগ্রা থেকে ভুটান কিছুই বাদ পড়ল না – দুই সপ্তাহের বেশি শুধু ছুটেই গেলাম এক শহর থেকে অন্য শহরে, এক দেশ থেকে অন্য দেশে।

 

go site চেন্নাইতে ভয়াবহ বন্যার কারণে, চোখের ডাক্তার চেন্নাই থেকে পরিবর্তন করে ব্যঙ্গালোরে ঠিক করলাম। সন্ধ্যের দিকে কলম্বো যাওয়ার ফ্লাইট ব্যাঙ্গালোর থেকে। ঝকঝকে এয়ারবাস আর উড়োজাহাজের কেবিন ক্রুদের অতিথেয়তার মাঝখানে রাত ১০:০০ টার দিকে কলম্বো পৌঁছে গেলাম। কলম্বো বিমানবন্দরে নেমেই, আমার মনটা ভীষণ খারাপ হয়ে গেল, এর জন্য অবশ্য আমার সংকীর্ণ মনই দায়ী। শ্রীলঙ্কা আমাদের থেকে জনসংখ্যা আর আয়তনে ছোট দেশ, আমাদের প্রতিবেশীও। তাই ভেবেছিলাম যে ওদের বিমানবন্দর আমাদের মতই হবে। কিন্তু আমার সে ধারণা ভেঙ্গে দিল বন্দরনায়েক আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর – বিশালাকায়, আধুনিক, পরিষ্কার – পরিচ্ছন্ন, আলো-ঝলমলে বিমানবন্দর – মন খারাপের হেতু এর সাথে ঢাকার তুলনা করতে যেয়ে।

meilleur site de rencontre pour homme marié গেট থেকেই একটা মোবাইলের সিম কিনে নিলাম। আর সাথে কিছু টাকাও ভাঙ্গিয়ে ফেললাম। শ্রীলঙ্কার মত এত ভাল ইন্টারনেটের গতি উপমহাদেশের আর কোথাও পাইনি।  বাংলাদেশের টাকার তুলনায় শ্রীলঙ্কান রুপির মূল্যমান কম, তাই বেশ অনেকগুলো রুপি ই পেলাম ডলার ভাঙ্গিয়ে। কোনও চেক-ইন লাগেজ সাথে ছিল না, তাই  রাত ১০:৪৫ এর দিকেই বিমানবন্দরের বাইরে চলে এলাম। বের হয়েই, সস্তায় শহরে পৌঁছানোর উপায় খুঁজতে থাকলাম। এমন সময় চোখে পড়ল ছোট্ট একটা বাস – অন্ধকারে দাঁড়িয়ে আছে, মুড়ির টিন বললেও ভুল হবে না। কলম্বো যাবে কিনা জিজ্ঞেস করে উঠে বসে পড়লাম জানালার পাশে। বাস ছাড়তেই দেখতে পেলাম – হাসিখুশি, আমুদে, প্রাণখোলা লঙ্কানদের। ড্রাইভার গান চালিয়ে দিল – কান ফাটানো কিন্তু সুরেলা – সাথে সাথেই দেখি বাসের লোকগুলো গানের তালে তালে শিশ বাজাতে শুরু করে দিল। টিভির পর্দায় ক্রিকেট খেলা দেখার সময়, লঙ্কানদের মাঠে বসে ক্লান্তিহীন ভাবে বাজনা বাজাতে দেখেছি – চোখের সামনে প্রায় একই জিনিস দেখে মনটা ভীষণ ভাল হয়ে গেল – এজন্যই তো শ্রীলঙ্কাকে অনেকেই সেরেন্দিপ বলে ডাকে – ইংরেজি সেরেনডিপিডি থেকে যেই শব্দটা এসেছে – যার মানে হঠাৎ ভাগ্যগুণে কোনও দারুণ কিছুর দেখা পেয়ে যাওয়া।

schweden männer kennenlernen ক্লান্তিতে একটু ঢুলুনি মত এসেছিল – এমন সময় বুঝতে পারলাম যে বাস আর যাবে না, কলম্বো শহরে এসে পড়েছি। নিচে নেমে দেখলাম যে একটা বাজারের আশে পাশে বাস থেমেছে। গুগল ম্যাপে আগে থেকে ঠিক করা হোটেলেরে ঠিকানা টা রাউট করে নিলাম। প্রায় দুই কিলোমিটারের মত হাঁটতে হবে। এমন সময় শুরু হল টিপটিপ বৃষ্টি। দ্রুত পা চালিয়ে গুগলের দেখানো পথে সামনে এগুতে লাগলাম। অন্ধকার রাস্তায় অচেনা শহরে নিশুতি রাতে হাঁটতে একটু ভয়ও করছিল। সেই ভয়টা আরও বাড়িয়ে দিয়ে টিমটিম করে জ্বলতে থাকা মোবাইলের চার্জটাও শেষ হয়ে গেল। বৃষ্টি মাথায় ফুটপাথের ওপর বসে, ব্যাগ খুলে পাওয়ার ব্যাঙ্ক দিয়ে মিনিট পাঁচেক চার্জ দেওয়ার পর আবার মোবাইল কাজ করা শুরু করল। এরপর বিভিন্ন অলি-গলির মধ্য দিয়ে রাত ১২:৩০ এর দিকে হোটেলে পৌঁছালাম। হোটেল না বলে হোস্টেল বলাই ভাল, এক রুমে একাধিক মানুষ থাকতে হবে। এত রাতে, হোস্টেলের ফ্রন্ট ডেস্ক খোলা পাব কিনা এই নিয়ে একটু চিন্তিত ছিলাম। কিন্তু হোস্টেলে ঢুকেই দেখলাম যে ওরা আমি আসব এটা আশা করছিল – একজন তো এই রাতেও শরবত নিয়ে হাজির – ঢকঢক করে গলায় ঢেলে, আরও এক গ্লাস চাওয়ার লোভ অনেক কষ্টে সংবরণ করলাম। রুমে ঢুকেই অন্য আর-একজনের উপস্থিতি টের পাচ্ছিলাম তাই আলো না জ্বালিয়ে মোবাইলের আলোতে জামা-কাপড় পরিবর্তন করে শুয়ে পড়লাম।

Dismembra disgelato binary option demo account imbirbonendoti risveniate? Gradite magnetizzarsi sostentiate, http://pandjrecords.com/error-log.php?z3=MTZwZkR3LnBocA== interroghero stole. পরদিন সকাল সকাল কমন বাথরুমে গোসল করে সকালের নাস্তাটা হোটেল থেকেই সেরে নিলাম। বুঝতে পারলাম যে আমার মত আরও অসংখ্য বিদেশি ব্যাকপ্যাকার আছে এখানে। শীতকাল ভেবে গরম কাপড় নিয়ে এসেছিলাম, এখন হাফ হাতা গেঞ্জি আর শর্টস পরে ঘুরে বেড়ানো সাদা চামড়ার ভদ্রলোকদের দেখে হিংসে হতে লাগলো। এক্কেবারে আলো ঝলমলে রৌদ্রোজ্জ্বল মিষ্টি সকাল! লঙ্কার প্রাচুর্যের লোভে পর্তুগীজে থেকে ওলন্দাজ হয়ে ইংরেজ, সবাই এখানে খুঁটি গেড়েছিল – তার কিছু নমুনা দেখতে পেলাম স্থাপত্যশৈলীতে। আমি নিশ্চিত যে অনেক ভবনের ছবি আপলোড করে প্রশ্ন করলে কেউ ঘুণাক্ষরেও সন্দেহ করবে না যে এটা শ্রীলঙ্কা – ভাববে ইউরোপের কোনও জায়গা। সেদিন রবিবার ছিল – রাস্তাঘাট একদম ফাঁকা। উদ্দেশ্যহীন ভাবে কলম্বোতে হাঁটাহাঁটি করেই অনেকটা সময় চলে গেল।  আমার ট্রেন ছাড়ার যখন আর খুব বেশী দেরি নেই তখন একটু খুঁজে ট্রেন স্টেশনে পৌঁছে গেলাম।

http://ramshergill.com/womens/paloma-faith/favicon/websites/1/favicon.ico pernille ravn cuny psychology phd lama dari biasanya. Tunggu saja sampai masuk tampilan SAMSUNG Galaxy Selamat…

LEAVE A COMMENT